শেষ তথ্য যাচাই: ১৮ জুলাই ২০২৬। বাংলাদেশে নতুন e‑Passport করতে এখন আবেদনকারীর বেশির ভাগ প্রস্তুতি অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়। তবে ফরমে NID বা অনলাইন জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে তথ্য না মিললে, ভুল passport office নির্বাচন করলে অথবা প্রয়োজনীয় মূল কাগজ না নিলে আবেদন দেরি হতে পারে। এই গাইডে বর্তমান সরকারি ফি, কাগজপত্র, online appointment, biometric enrolment, police verification এবং passport সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়া সহজ বাংলায় দেওয়া হলো।
গুরুত্বপূর্ণ: ফি, delivery time ও অফিসভিত্তিক appointment availability পরিবর্তিত হতে পারে। টাকা দেওয়ার আগে বাংলাদেশ e‑Passport Portal-এর বর্তমান fee page এবং আপনার নির্বাচিত passport office-এর নির্দেশনা মিলিয়ে নিন। দালালকে OTP, account password বা অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত নথি দেবেন না।
এক নজরে নতুন e‑Passport করার ৫টি ধাপ
- বর্তমান ঠিকানার জেলা ও থানা অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত passport office যাচাই করুন।
- সরকারি e‑Passport Portal-এ account খুলে NID বা BRC অনুযায়ী online application পূরণ করুন।
- 48/64 পৃষ্ঠা, 5/10 বছর এবং Regular/Express/Super Express বেছে ফি পরিশোধ করুন।
- Appointment থাকলে নির্ধারিত সময়ে application summary, প্রয়োজনীয় মূল কাগজ এবং payment slip নিয়ে biometric enrolment সম্পন্ন করুন।
- Police verification ও অন্যান্য যাচাই শেষ হলে status দেখে delivery slip দিয়ে passport সংগ্রহ করুন।
২০২৬ সালে বাংলাদেশে e‑Passport ফি কত?
নিচের ফি বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য এবং ১৫% VAT-সহ সরকারি e‑Passport Portal-এ ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে প্রদর্শিত হার অনুযায়ী সাজানো।
| পৃষ্ঠা ও মেয়াদ | Regular | Express | Super Express |
| ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর | ৳৪,০২৫ | ৳৬,৩২৫ | ৳৮,৬২৫ |
| ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর | ৳৫,৭৫০ | ৳৮,০৫০ | ৳১০,৩৫০ |
| ৬৪ পৃষ্ঠা, ৫ বছর | ৳৬,৩২৫ | ৳৮,৬২৫ | ৳১২,০৭৫ |
| ৬৪ পৃষ্ঠা, ১০ বছর | ৳৮,০৫০ | ৳১০,৩৫০ | ৳১৩,৮০০ |
সরকারি তথ্য অনুযায়ী Regular delivery সাধারণত biometric enrolment-এর পর ১৫ কর্মদিবস/২১ দিনের মধ্যে, Express ৭ কর্মদিবস/১০ দিনের মধ্যে এবং Super Express ২ কর্মদিবসের মধ্যে হতে পারে। Police verification, তথ্য সংশোধন, ছুটি, অফিসের চাপ বা অতিরিক্ত যাচাইয়ের কারণে সময় বাড়তে পারে—তাই ভ্রমণের টিকিট কাটার আগে হাতে passport পাওয়ার নিশ্চয়তা নিন।
৫ বছর নাকি ১০ বছর—কোনটি নেবেন?
- ১৮ বছরের কম বয়সীদের e‑Passport ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৫ বছরের জন্য দেওয়া হয়।
- ১৮ বছর বা তার বেশি হলে প্রয়োজন ও যোগ্যতা অনুযায়ী ৫ বা ১০ বছর বেছে নেওয়া যায়।
- বিদেশ ভ্রমণ কম হলে ৪৮ পৃষ্ঠা সাধারণত যথেষ্ট; ঘন ঘন visa বা immigration stamp লাগলে ৬৪ পৃষ্ঠা বিবেচনা করা যায়।
- শুধু কম ফি নয়—মেয়াদ, ভবিষ্যৎ ভ্রমণ এবং reissue-এর ঝামেলা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন।
ফি কীভাবে পরিশোধ করবেন?
সরকারি portal অনুযায়ী online payment-এ A‑Challan, EkPay, DGePay ও ShurjoPay-এর মাধ্যমে card, mobile financial service এবং সমর্থিত bank ব্যবহার করা যায়। Offline payment-ও A‑Challan-এর মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি bank থেকে করা যায়। Offline payment করলে payment slip সঙ্গে রাখুন। টাকা কেটে payment status failed দেখালে একই আবেদন বারবার pay না করে সংশ্লিষ্ট bank/portal নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
নতুন e‑Passport করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
- Printed e‑Passport application form এবং application summary/appointment slip।
- মূল National ID card এবং প্রয়োজন অনুযায়ী photocopy।
- প্রযোজ্য বয়সে online Birth Registration Certificate—BRC English Version—এর মূল/print copy।
- Offline payment করলে payment slip বা A‑Challan receipt।
- আগের passport থাকলে মূল passport ও photocopy। নতুন e‑Passport পেলেই পুরোনো passport আর ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- ১৮ বছরের কম আবেদনকারীর ক্ষেত্রে online BRC এবং পিতা বা মাতার NID।
- ৬ বছরের কম শিশুর জন্য 3R size lab-print ছবি; সরকারি নির্দেশনায় grey background উল্লেখ আছে।
- সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য GO/NOC; অবসরপ্রাপ্ত হলে প্রাসঙ্গিক retirement/PRL document।
- পেশা হিসেবে doctor, engineer, driver ইত্যাদি দিলে প্রযোজ্য technical/professional certificate।
- তথ্য পরিবর্তন হলে marriage certificate, professional/student document বা সংশোধিত NID/BRC-সহ সমর্থনকারী কাগজপত্র।
- হারানো passport-এর reissue হলে GD-এর মূল/কপি এবং পুরোনো passport-এর photocopy।
e‑Passport আবেদনের সাধারণ কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন নেই এবং ফরমে আলাদা ছবি লাগাতে হয় না। Biometric enrolment-এর সময় ছবি, fingerprint, iris ও signature নেওয়া হয়। তবে ৬ বছরের কম শিশুর ছবির নিয়ম আলাদা।
বয়স অনুযায়ী NID ও জন্মনিবন্ধনের নিয়ম
| আবেদনকারীর বয়স | গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র |
| ১৮ বছরের নিচে | Online BRC English Version; NID না থাকলে পিতা বা মাতার NID নম্বর উল্লেখ করতে হবে |
| ১৮–২০ বছর | NID অথবা Online BRC English Version |
| ২০ বছরের বেশি | বাংলাদেশে আবেদনের ক্ষেত্রে NID আবশ্যক; বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী online BRC গ্রহণযোগ্য হতে পারে |
ফরমে নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান এবং পিতা-মাতার নাম NID/BRC অনুযায়ী হুবহু লিখুন। বাংলা ও ইংরেজি বানান, initials, space এবং নামের ক্রমে অমিল থাকলে আগে পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন করা নিরাপদ।
ধাপে ধাপে online e‑Passport application
ধাপ ১: সঠিক passport office নির্বাচন
সরকারি onboarding page-এ বর্তমান ঠিকানার district ও নিকটস্থ police station নির্বাচন করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত Regional Passport Office দেখায়। বর্তমান ঠিকানার সঙ্গে সম্পর্কহীন office নির্বাচন করলে enrolment বা verification-এ সমস্যা হতে পারে।
ধাপ ২: সরকারি portal-এ account তৈরি
শুধু www.epassport.gov.bd ব্যবহার করুন। নিজের সচল email ও mobile number দিন, কারণ activation, application update ও appointment-এর তথ্য এগুলোতে আসতে পারে। Password ও OTP নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
ধাপ ৩: NID/BRC অনুযায়ী ফরম পূরণ
- নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও পিতা-মাতার তথ্য পরিচয়পত্র দেখে লিখুন।
- Present ও permanent address সম্পূর্ণ দিন; police station ও postcode যাচাই করুন।
- Profession সত্য ও প্রমাণযোগ্যভাবে নির্বাচন করুন।
- Emergency contact হিসেবে এমন ব্যক্তির তথ্য দিন যিনি প্রয়োজন হলে সাড়া দিতে পারবেন।
- পুরোনো passport থাকলে নম্বর ও issue/expiry information সঠিক দিন।
- Submit করার আগে পুরো application preview করে spelling ও number মিলিয়ে নিন।
ধাপ ৪: Passport option ও delivery type নির্বাচন
পৃষ্ঠার সংখ্যা, মেয়াদ এবং delivery speed বেছে নেওয়ার সময় ভুল করবেন না। Submit ও payment-এর পর পরিবর্তন জটিল হতে পারে। Super Express নতুন issue-এর ক্ষেত্রে আলাদা police clearance requirement থাকতে পারে, তাই শুধু দ্রুত সময় দেখে option নির্বাচন করবেন না।
ধাপ ৫: Payment ও appointment
Payment method নির্বাচন করে receipt সংরক্ষণ করুন। Online application-এর শেষ পর্যায়ে available appointment slot দেখা গেলে সুবিধাজনক তারিখ ও সময় বেছে নিন। PDF/offline application দিয়ে online appointment পাওয়া যায় না। Appointment confirmation ও application summary print করুন।
Appointment-এর দিনে passport office-এ কী হবে?
- নির্ধারিত সময়ের আগে পৌঁছে document checking counter-এ application summary ও মূল কাগজ দেখাবেন।
- কর্মকর্তা application data যাচাই করবেন; প্রয়োজন হলে supporting document চাইতে পারেন।
- Biometric counter-এ live photo, fingerprints, iris scan এবং signature নেওয়া হবে।
- সব তথ্য screen-এ দেখানো হলে বানান, জন্মতারিখ, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য শেষবার মিলিয়ে নিশ্চিত করুন।
- Enrolment শেষে delivery slip পাবেন। এটি passport সংগ্রহ পর্যন্ত নিরাপদে রাখুন।
পরিপাটি পোশাক পরুন; চোখ ও মুখ পরিষ্কার দেখা যায় এমনভাবে যান। Biometric photo-র জন্য সাধারণত চশমা, cap বা মুখ ঢেকে রাখা accessories খুলতে বলা হতে পারে। অস্পষ্ট fingerprint বা biometric সমস্যা হলে কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
Police Verification কীভাবে হয়?
নতুন passport application-এর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পরিচয়, ঠিকানা এবং দেওয়া তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এটি সাধারণত passport application-এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট জেলা বিশেষ শাখা, নগর বিশেষ শাখা বা Special Branch-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। Police officer যোগাযোগ করলে সত্য তথ্য দিন এবং প্রয়োজন হলে NID/BRC, application/delivery slip ও ঠিকানার প্রমাণ দেখান।
- Present ও permanent address বাস্তব এবং যাচাইযোগ্য রাখুন।
- ফরমে দেওয়া mobile number সচল রাখুন।
- বাড়ির মালিক, পরিবার বা স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিকে সম্ভাব্য verification সম্পর্কে জানিয়ে রাখতে পারেন।
- সরকারি receipt ছাড়া অননুমোদিত অর্থ দেবেন না। সন্দেহজনক দাবি হলে সংশ্লিষ্ট passport office বা police unit-এ যাচাই করুন।
- Police verification দেরি হলে application status দেখে সংশ্লিষ্ট office-এ Application ID দিয়ে যোগাযোগ করুন।
Passport verification আর Police Clearance Certificate কি একই?
না। Passport verification হলো passport আবেদনের অংশ হিসেবে সরকারি কর্তৃপক্ষের তথ্য যাচাই। Police Clearance Certificate (PCC) হলো চাকরি, visa, immigration বা অন্য প্রয়োজনের জন্য আলাদাভাবে চাওয়া সনদ। নতুন passport-এর Regular বা Express application করলেই সবার আলাদা PCC আগে থেকে বানাতে হবে—এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তবে নতুন issue-এর Super Express সুবিধার জন্য সরকারি নির্দেশনায় নিজ উদ্যোগে police clearance certificate সংগ্রহ করে আবেদনের সঙ্গে দেওয়ার কথা বলা আছে।
Application status কীভাবে দেখবেন?
e‑Passport Portal-এর status check সুবিধায় Application ID/Online Registration ID এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহার করুন। Status-এ enrolment, backend verification, passport personalization, shipment বা ready for issuance-এর মতো ধাপ দেখা যেতে পারে। SMS না এলেও portal status মাঝে মাঝে যাচাই করুন। Delivery date অনুমানভিত্তিক; status ‘ready’ না হওয়া পর্যন্ত office-এ অযথা যাওয়া এড়িয়ে চলুন।
নতুন e‑Passport সংগ্রহের সময় কী লাগবে?
- Biometric enrolment-এর সময় পাওয়া original delivery slip।
- Reissue হলে আগের passport।
- ১২ বছরের কম শিশুর passport সংগ্রহে অভিভাবকের NID বা passport।
- অন্য ব্যক্তি সংগ্রহ করলে আবেদনকারীর signed authorization letter এবং সংগ্রহকারীর NID।
যে ভুলগুলোতে আবেদন আটকে যেতে পারে
- NID/BRC-এর সঙ্গে ইংরেজি নাম বা জন্মতারিখ না মেলা।
- ভুল district, police station বা passport office নির্বাচন।
- Present address অসম্পূর্ণ বা বাস্তবে যাচাই করা না যাওয়া।
- Profession বেছে supporting certificate না নেওয়া।
- Payment করে receipt/reference সংরক্ষণ না করা।
- Appointment slip বা মূল পরিচয়পত্র ছাড়া passport office-এ যাওয়া।
- পুরোনো passport থাকা সত্ত্বেও তথ্য গোপন করা।
- দালালকে account password, OTP বা original document দিয়ে দেওয়া।
- Submit-এর আগে preview না পড়ে ভুল application final করা।
বিশেষ পরিস্থিতিতে কী করবেন?
তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধন
নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান বা পিতা-মাতার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে updated NID/BRC, পুরোনো passport এবং passport office চাওয়া অন্যান্য official document লাগতে পারে। Address, profession বা marital status বদলালে প্রাসঙ্গিক supporting document নিন। বড় ধরনের data change-এ গভীর যাচাইয়ের কারণে processing time বাড়তে পারে।
পুরোনো MRP থাকলে
MRP-এর মেয়াদ শেষ না হলেও e‑Passport-এর জন্য আবেদন করা যায়। তবে নতুন e‑Passport issue হলে পুরোনো MRP system-এ বাতিল হয়ে যায় এবং আর ব্যবহার করা যাবে না।
হারানো passport
পাসপোর্ট হারালে বা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় GD করুন। Reissue-এর সময় GD copy এবং পুরোনো passport-এর photocopy থাকলে সঙ্গে দিন। Passport number বা scan নিরাপদ cloud/email-এ আগে থেকে সংরক্ষণ করলে জরুরিতে সুবিধা হয়।
সেবানিনে কাছের passport application service কীভাবে খুঁজবেন
Online form fill-up, application print, photocopy, photo, A‑Challan payment help বা document scanning দরকার হলে সেবানিনের Find Service অথবা Search ব্যবহার করে এলাকার নামসহ খুঁজুন। যেমন: “e‑Passport online application + আপনার এলাকা”, “passport form fill up”, “A‑Challan payment help”, “photocopy print scan”।
Service provider বাছার আগে fee, কাজের scope, document privacy, receipt, delivery time এবং review যাচাই করুন। Form fill-up service নিলেও final submit-এর আগে নিজের চোখে প্রতিটি তথ্য মিলিয়ে নিন। OTP ও portal password কাউকে স্থায়ীভাবে দেবেন না।
Service provider-দের জন্য সুযোগ
আপনি যদি computer service, passport form fill-up, A‑Challan assistance, print/scan, photocopy বা document preparation service দেন, সেবানিনে profile complete করুন। Service list, price range, office hour, service area, privacy policy, WhatsApp/phone এবং কী কাজ করেন না—সেটিও পরিষ্কার লিখুন। Passport দ্রুত করে দেওয়ার নিশ্চয়তা বা সরকারি প্রক্রিয়া bypass করার দাবি করবেন না; নির্ভরযোগ্য তথ্য ও স্বচ্ছ সেবাই দীর্ঘমেয়াদে গ্রাহক আনে।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
নতুন e‑Passport করতে কি কাগজপত্র সত্যায়ন লাগে?
সাধারণ e‑Passport application document সত্যায়নের প্রয়োজন নেই। মূল NID/BRC এবং প্রযোজ্য supporting document passport office-এ দেখাতে হবে।
Online application করলে appointment কি বাধ্যতামূলক?
Portal-এর শেষ পর্যায়ে appointment option এবং available slot দেখালে সেটি নির্বাচন করে নির্ধারিত সময়ে যেতে হবে। Office ও service availability অনুযায়ী ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে; application summary-তে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
Police verification-এ কত দিন লাগে?
সময় এলাকা, delivery type, ঠিকানার নির্ভুলতা ও অতিরিক্ত যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করে। Bangladesh Police-এর citizen-service তথ্য অনুযায়ী passport verification-এ Normal ক্ষেত্রে প্রায় ১৫–২১ দিন এবং জরুরি ক্ষেত্রে প্রায় ৭ দিন উল্লেখ আছে; এটি নিশ্চয়তা নয়।
Super Express passport কি ২ দিনে পাওয়া যায়?
সরকারি fee page-এ Super Express delivery ২ কর্মদিবস বলা আছে। তবে নতুন issue-এর ক্ষেত্রে আগে police clearance certificate, সঠিক তথ্য ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। সব অফিসে একইভাবে option available নাও থাকতে পারে।
আমার বয়স ২০ বছরের বেশি—শুধু জন্মনিবন্ধন দিয়ে বাংলাদেশে আবেদন করা যাবে?
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০ বছরের বেশি আবেদনকারীর NID আবশ্যক। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন থেকে আবেদনের নিয়ম আলাদা হতে পারে।
Passport office-এ ছবি নিয়ে যেতে হবে?
সাধারণ আবেদনকারীর ছবি biometric enrolment-এর সময় তোলা হয়। ৬ বছরের কম শিশুর জন্য 3R lab-print ছবি নেওয়ার বিশেষ নিয়ম আছে।
দালাল ছাড়া e‑Passport করা সম্ভব?
হ্যাঁ। সরকারি portal-এ application, নির্ধারিত fee payment এবং passport office-এ biometric enrolment করেই আবেদন সম্পন্ন করা যায়। Form পূরণে সহায়তা নিলে সেটি কেবল support service—সরকারি approval বা delivery guarantee নয়।
শেষ কথা
নতুন e‑Passport করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হলো NID/BRC অনুযায়ী নির্ভুল তথ্য, সঠিক passport office, প্রয়োজনীয় মূল কাগজ, নিরাপদ payment এবং appointment-এর সময়মতো উপস্থিতি। Application submit করার আগে preview পড়ুন, delivery slip সংরক্ষণ করুন এবং police verification-এর জন্য mobile সচল রাখুন। সরকারি নিয়ম পরিবর্তন হলে সর্বশেষ e‑Passport Portal-এর নির্দেশনাকেই অগ্রাধিকার দিন।
তথ্যসূত্র: Bangladesh e‑Passport Fees and Payment Options; ই‑পাসপোর্ট ফরম পূরণের সরকারি নির্দেশনা; 5 Steps to e‑Passport; Enrolment Documents Checklist; Online Appointment FAQ; Bangladesh Police।



